Wednesday, February 28, 2024
Homeজেলাজীবনের ঝুঁকি নিয়ে জাতীয় সড়কের উপর চলছে সবজির পাইকারি বাজার

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জাতীয় সড়কের উপর চলছে সবজির পাইকারি বাজার

গোপীকিশোর বেরা, কুলপি : দীর্ঘদিন ধরে ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর বসছে সবজির পাইকারি বাজার। ভোর বেলা থেকে পিচ রাস্তার অধিকাংশ অঞ্চল ঘিরে চলছে কেনাবেচা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিনই এভাবেই কেনাবেচা চলে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কুলপি থানার করঞ্জলি গ্রাম পঞ্চায়েতের চকদুলালপুর এলাকায়।

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জাতীয় সড়কের উপর চলছে সবজির পাইকারি বাজার

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কুলপির গরানকাঠি, সিংহেরহাট, ট্যাংরাচক, কাটাবেনিয়া, লক্ষ্মীপুর সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ১ হাজার চাষি প্রতিদিনই তাঁদের সবজি নিয়ে চকদুলালপুরে বিক্রি করতে আসেন। এই সবজি কেনার জন্য কলকাতা, ডায়মন্ড হারবার সহ বিভিন্ন এলাকার পাইকারিরা আসেন।

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জাতীয় সড়কের উপর চলছে সবজির পাইকারি বাজার

আর এই পাইকারি বাজার বসে চকদুলালপুরে ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের একেবারেই উপরে। ভোর ৪টে থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত এই পাইকারি বাজার বসে। সবজি চাষীদের অভিযোগ, “এই এলাকায় কোন কিষাণমান্ডি নেই। এমনকি সরকারের পক্ষ থেকে আলাদাভাবে কোন পাইকারি বাজার করে দেওয়া হয়নি।

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জাতীয় সড়কের উপর চলছে সবজির পাইকারি বাজার

তাই স্বাভাবিকভাবেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন জাতীয় সড়কের একেবারে উপরেই সবজি কেনাবেচা করতে হয়। সকালবেলায় বাজার চলাকালীন এই জাতীয় সড়ক দিয়ে প্রচুর গাড়ি যাতায়াত করে। তার মাঝেই চলে কেনাবেচা।”এবিষয়ে সবজি চাষী অসিত পাইক জানান, “দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর যাবৎ এই এলাকার জাতীয় সড়কের উপর সবজির পাইকারি বাজার বসছে।

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জাতীয় সড়কের উপর চলছে সবজির পাইকারি বাজার

ভোরবেলা থেকেই ব্যস্ত জাতীয় সড়কের দু’পাশে প্রচুর ভিড় জমে যায়। অতিরিক্ত ভিড় হয়ে গেলে পুলিশ এসে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সরিয়ে দেয়। এই নিয়ে মাঝেমধ্যে ঝামেলাও তৈরি হয়। কিন্তু নির্দিষ্ট কোন জায়গা না থাকার কারণে, পুনরায় ওই জাতীয় সড়কের উপর আবারও সবজি কেনাবেচা শুরু হয়।”

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জাতীয় সড়কের উপর চলছে সবজির পাইকারি বাজার

যদিও এই বিষয় নিয়ে করঞ্জলী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অভিজিৎ বৈরাগী জানান, “কিষাণ মান্ডি তৈরি করার জন্য পঞ্চায়েতের আর্থিক ক্ষমতা নেই। তবে সত্যিই খুব বিপদজনক ভাবে ওই এলাকায় সবজি চাষিরা তাঁদের জিনিসপত্র কেনাবেচা করেন। পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে জমি খোঁজা হচ্ছে। জমি পাওয়া গেলে পাইকারি বাজার সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।”

Most Popular

error: Content is protected !!