Wednesday, February 28, 2024
Homeরাজ্য‘অভিষেকের বিরুদ্ধে লড়ে দেখান’, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ কুণালের

‘অভিষেকের বিরুদ্ধে লড়ে দেখান’, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ কুণালের

স্টাফ রিপোর্টার: একজন নেতা হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এত সম্পত্তি আসে কোথা থেকে? সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই প্রশ্ন তুলেছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।আর এবার তাঁকে খোলা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন দলের মুখপাত্র তথা রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।

‘অভিষেকের বিরুদ্ধে লড়ে দেখান’, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ কুণালের

মঙ্গলবার সকালে সাংবাদিক বৈঠকে বসে কুণাল ঘোষ বলেন, “অভিষেকের সম্পত্তি জানার আপনার এত কিসের তাগিদ? অভিষেক দু বারের সাংসদ। তাঁর হলফনামাতেই তাঁর সম্পত্তির সব হিসেব দেওয়া আছে। অভিষকের সম্পত্তি নিয়ে এত আগ্রহী হলে হলফনামা দেখে নিন। কম্পিউটার আছে, ডাউনলোড করে নিন।”

‘অভিষেকের বিরুদ্ধে লড়ে দেখান’, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ কুণালের

তাঁর আরও বক্তব্য, ”আপনার তো এবার শেষ বছর। এবছরই অবসর। তা আপনি স্বেচ্ছা অবসর নিয়ে ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার থেকেই অভিষেকের বিরুদ্ধে বিরোধী কোনও একটা দল থেকে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন। অভিষেক সম্পর্কে আপনার নিজের ধারণা খারাপ নয়।

‘অভিষেকের বিরুদ্ধে লড়ে দেখান’, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ কুণালের

কেউ কেউ তাঁর বিরুদ্ধে বলে আপনার মাথায় বিষ ঢোকাচ্ছে।” মঙ্গলবার কুণাল ঘোষের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন ২০১৭ সালের রাজ্য গ্রুপ ডি-র চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁদের নিয়োগ থমকে আইনি জটিলতায়। সেই জট খোলার আবেদন সরকারের কাছে পৌঁছে দিতে তৃণমূল মুখপাত্রের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তাঁরা। নিয়োগপ্রার্থীদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন কুণাল ঘোষ।

‘অভিষেকের বিরুদ্ধে লড়ে দেখান’, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ কুণালের

তার পরই সংবাদমাধ্যমে কুণাল বলেন, ”বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত জেদের চোটে রায়ের এমন এমন অংশ বেরোল যাতে এখন প্রত্যেক চাকরিপ্রার্থী বুঝতে পারছেন যে তাঁদের যে জটটা খুলছে না তার জন্য বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় দায়ী।” একইসঙ্গে তাঁর দাবি, সরকার নতুন পদ তৈরি করে নিয়োগের চেষ্টা করেছে।

‘অভিষেকের বিরুদ্ধে লড়ে দেখান’, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ কুণালের

অযোগ্যদের সরিয়ে যোগ্যদের নিয়োগে আইনি জটিলতা রয়েছে। নতুন পদ তৈরি করে আদালতে গিয়েছিল রাজ্য। কুণালের কথায়, “কিন্তু সেই সময় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় চিৎকার চেঁচামেচি করে সিবিআই দিয়ে দেন। ফলে যোগ্যদের নিয়োগ প্রক্রিয়াও জটে আটকে যায়।”

Most Popular

error: Content is protected !!