Friday, April 19, 2024
spot_img
Homeরাজ্য'রাস্তায় না বসে আদালতে যান', চাকরিপ্রার্থীদের পরামর্শ গঙ্গোপাধ্যায়ের

‘রাস্তায় না বসে আদালতে যান’, চাকরিপ্রার্থীদের পরামর্শ গঙ্গোপাধ্যায়ের

স্টাফ রিপোর্টার: হঠাৎ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করলেন এসএসসির ২০১৬-র চাকরিপ্রার্থীরা। বুধবার সন্ধেবেলা বিচারপতির বাড়ির ভিতরে ঢুকতে গেলে তাঁদের বাধা দেয় পুলিশ। তারপরেই রাস্তায় বসে পড়ে কান্নাকাটি শুরু করে দেন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ।

'রাস্তায় না বসে আদালতে যান', চাকরিপ্রার্থীদের পরামর্শ গঙ্গোপাধ্যায়ের

অবশেষে বিচারপতি বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তায় দাঁড়িয়েই দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন তাঁদের সঙ্গে।চাকরি প্রার্থীদের দাবি, তাঁরা ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে সুপারিশপত্র পেয়েছেন। কিন্তু সুপার নিউমেরারি পোস্ট ঘিরে আইনি জটিলতা থাকায় চাকরিতে যোগ দিতে পারছেন না। এদিকে বয়সও বেড়ে যাচ্ছে৷

'রাস্তায় না বসে আদালতে যান', চাকরিপ্রার্থীদের পরামর্শ গঙ্গোপাধ্যায়ের

এদিন বিচারপতিকে এক চাকরিপ্রার্থী বলে ওঠেন, ‘‘স্যর আপনি আমাদের আইডল৷ আমরা কোনও উপায় না দেখে আপনার কাছে এসেছি৷ আপনি অনেককে সাহায্য করেছেন…আমাদের একটা ব্যবস্থা করে দিন৷ আমরা আর পারছি না৷’’ চাকরিপ্রার্থীদের কথা মন দিয়ে শোনেন বিচারপতি৷ সব প্রশ্নের ধীরে ধীরে উত্তরও দেন৷ দেন পরামর্শ৷

'রাস্তায় না বসে আদালতে যান', চাকরিপ্রার্থীদের পরামর্শ গঙ্গোপাধ্যায়ের

জানান, ‘‘আমি আপনাদের প্রতি সহানুভূতিশীল৷ যদি অর্থের সমস্যা থাকেন, হাইকোর্টে লিগাল এইড রয়েছে৷ সেখানে আবেদন করুন, আইনজীবী চান, তিনিই আপনাদের মামলার বিষয়ে সাহায্য করতে পারেন৷ আমি চাকরি দেওয়ার কেউ নই৷ চাকরি দেন মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷’’ বিচারপতি জানান, এ বিষয়ে সাহায্য করা তাঁর কর্মক্ষেত্রের পরিসরের বাইরে৷

'রাস্তায় না বসে আদালতে যান', চাকরিপ্রার্থীদের পরামর্শ গঙ্গোপাধ্যায়ের

একমাত্র উপযুক্ত আইনজীবীই তাঁদের (চাকরিপ্রার্থীদের) পথ দেখাতে পারেন৷ তিনি জানান, তিনি চান, যাঁরা যোগ্য, তাঁরা চাকরি পান৷এরপর চাকরিপ্রার্থীরা চলে গেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিচারপতি বলেন, “যাঁরা এতদিন ধরে রাস্তায় বসে আছেন, তাঁরা আদালতে যাচ্ছেন না কেন। ওখানে না বসে থেকে আদালতে চলে আসুন না। ১০০০ দিন ধরে রাস্তায় বসে থেকে কী হবে।”

'রাস্তায় না বসে আদালতে যান', চাকরিপ্রার্থীদের পরামর্শ গঙ্গোপাধ্যায়ের

বিচারপতি প্রশ্ন তুলেছেন, রাস্তায় বসে যাঁরা আন্দোলন করছেন, তাঁদের কি আদৌ প্যানেলে বা ওয়েটিং লিস্টে নাম আছে? তাহলে তাঁরা আদালতে যাচ্ছেন না কেন? তিনি আরও বলেন, ‘‘আদালতে শত শত মামলা হয়, বহু মানুষ বিচার পান। অনেকেই চাকরি পেয়েছেন।’’

Most Popular