Tuesday, May 28, 2024
spot_img
spot_img
Homeজেলাবিধায়কের উদ্যোগে রক্ত পেল একরত্তি শিশু

বিধায়কের উদ্যোগে রক্ত পেল একরত্তি শিশু

বান্টি মুখার্জি, ক্যানিং: হন্যে হয়ে ঘুরেও মেলেনি থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত একরত্তি শিশুর রক্ত। রক্ত দিতে না পারলে প্রাণ সংশয় হতে পারে।বিমর্ষ হয়ে পড়েছিল ওই শিশুর পরিবার। পরে অবশ্য এলাকার বিধায়কের উদ্যোগে রক্ত পায় একরত্তি। হাসি ফোটে পরিবারের।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্যানিং থানার অন্তর্গত তালদি এলাকার বাসিন্দা দম্পতি শাজাহান মোল্লা ও তাঁর স্ত্রী সাবিনা মোল্লার তিন মেয়ে রয়েছে।

বিধায়কের উদ্যোগে রক্ত পেল একরত্তি শিশু

কোনও রকমে দিনমজুরি করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করেন মোল্লা দম্পতি। তিন মেয়ের মধ্যে ছোট মেয়ে সাহিনা জন্ম থেকে রক্তশূন্যতা রোগে আক্রান্ত। প্রতি মাসেই সঠিক সময়ে রক্ত জোগান দেওয়াটাই চ্যালেঞ্জ মোল্লা দম্পতির কাছে। বর্তমানে সাহিনার বয়স মাত্র চার। এপ্রিল মাসে রক্তের প্রয়োজন সাহিনার।মেয়ের জীবন বাঁচাতে এক বোতল রক্তের জন্য প্রচণ্ড গরমে বাবা-মা হন্যে হয়ে ঘুরেছেন।কোথাও মেলেনি।

বিধায়কের উদ্যোগে রক্ত পেল একরত্তি শিশু

ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে পর পর তিনদিন রক্ত চেয়ে খালি হাতে ফিরতে হয়েছে। অবশেষে ছোট্ট মেয়ের জন্য রক্ত না পেয়ে মাথায় হাত পড়ে পরিবারের।এরপর একরত্তি মেয়েকে নিয়ে সোজা ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশরাম দাসের বাড়িতে হাজির হন দম্পতি। রক্তের জোগাড় না হলে মেয়েকে বাঁচানো যাবে না বলি কাতর আর্জি জানান তাঁরা।অসহায় পরিবারের কথা শুনে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন বিধায়ক। তিনি তাঁদের আশ্বস্ত করেন। এরপর বিধায়ক রক্ত চেয়ে জরুরি ভিত্তিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেদন করেন।

বিধায়কের উদ্যোগে রক্ত পেল একরত্তি শিশু

মাত্র ১০ মিনিটে শতাধিক যুবক রক্ত দিতে চেয়ে সাড়া দেন। বিধায়কের আবেদনে সাড়া দিয়ে বৃহস্পতিবার বিকালে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে একরত্তি শিশুর জন্য এ পজিটিভ রক্ত দান করেন ক্যানিংয়ের থুমকাটি গ্রামের যুবক কৃষ্ণেন্দু প্রধান।তিনদিন হন্যে হয়ে ঘোরার পর বিধায়কের উদ্যোগে রক্ত পেয়ে স্বভাবতই খুশি মোল্লা পরিবার।

বিধায়কের উদ্যোগে রক্ত পেল একরত্তি শিশু

রক্তদাতা যুবক কৃষ্ণেন্দু জানিয়েছেন, একরত্তি শিশুর কথা ভেবেই রক্ত দেওয়ার জন্য সাড়া দিয়েছিলাম। ভালো লাগছে।
বিধায়ক পরেশরাম দাস জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষ আমাকে বিধায়ক নির্বাচিত করেছিলেন। তাঁদের সেবা করতে পেরে ভালো লাগছে।আজীবন মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যেতে চাই।

Most Popular

error: Content is protected !!