Tuesday, May 28, 2024
spot_img
spot_img
Homeজেলাভাসমান জেটিঘাটের কাজ খতিয়ে দেখা হল সুন্দরবনে

ভাসমান জেটিঘাটের কাজ খতিয়ে দেখা হল সুন্দরবনে

বান্টি মুখার্জি, গোসাবা: ভাটা হলে যাতায়াতে অসুবিধা। আর সেই অসুবিধা থেকে মুক্তি পেতে এবার সুন্দরবনের দু’টি ব্লকের দু’টি দ্বীপের মধ্যে সংযোগকারী হানা নদীর বুকে বসবে ভাসমান জেটি। এর ফলে দু’টি দ্বীপের মানুষ শুধু নয়, বাসন্তী ও গোসবা ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষও উপকৃত হবেন। সাত কোটি টাকা ব্যয়ে ভাসমান জেটিঘাটের নির্মাণের কাজ শুরু হবে খুব শীঘ্রই।একদিকে সুন্দরবনের বাসন্তী থানার চুনাখালি, অন্যদিকে গোসাবা থানার শম্ভুনগর দ্বীপ অবস্থিত। এই দু’টি দ্বীপের মধ্যে চলাচলকারী মানুষের মধ্যে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা হল হানা নদীবক্ষের খেয়া। খেয়ার মাধ্যমে যাতায়াত করতে হয় এলাকার মানুষকে।

ভাসমান জেটিঘাটের কাজ খতিয়ে দেখা হল সুন্দরবনে

অফিস, কলেজ, স্কুল অবস্থিত হওয়ায় নিত্যদিন বহু মানুষকেই দূরদূরান্ত থেকে এই নদী পেরিয়ে আসতে হয়। কিন্তু নদীতে ভাটা শুরু হলে দেখা যায় সমস্যা। সেই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এবার এই ভাসমান জেটি তৈরি করা হবে। মূলত এই জেটি তৈরি করা হলে ভাটার সময় বহু মানুষের চলাচলের সুবিধা হবে। মঙ্গলবার পরিবহণ দপ্তরের আধিকারিকরা এই জেটিঘাটের কাজ শুরু করার আগে জায়গাটি খতিয়ে দেখেন।

ভাসমান জেটিঘাটের কাজ খতিয়ে দেখা হল সুন্দরবনে

জেটি দু’টি লম্বায় ৩৫ মিটার এবং ৬ মিটার চওড়া হবে। ২০২০ সাল থেকে এই জেটি দু’টি হওয়ার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন তৎকালীন গোসাবার বিধায়ক প্রয়াত জয়ন্ত নস্কর। কিন্তু বিভিন্ন কারণে প্রকল্পের কাজ শুরু হতে দেরি হওয়ায় মঙ্গলবার শুরু হল পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং খতিয়ে দেখার কাজ। আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে মাটি পরীক্ষা করে দেখা হবে এবং শীঘ্রই ভাসমান জেটিঘাট তৈরির কাজ শুরু হবে।

ভাসমান জেটিঘাটের কাজ খতিয়ে দেখা হল সুন্দরবনে

এদিন ভাসমান জেটিঘাট তৈরির জায়গা পরিদর্শন এবং খতিয়ে দেখতে উপস্থিত ছিলেন পরিবহণ দফতরের ইঞ্জিনিয়ার, ক্যানিংয়ের মহকুমা শাসক প্রতীক সিং, বাসন্তীর বিডিও সৌগত সাহা, গোসাবার বিডিও বিশ্বনাথ চৌধুরি সহ স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান ও অন্যরা।

Most Popular

error: Content is protected !!