Sunday, May 19, 2024
spot_img
Homeরাজ্যসাইবার অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ হবে সংশ্লিষ্ট থানাতে, উদ্যোগ নিলেন পুলিশ সুপার

সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ হবে সংশ্লিষ্ট থানাতে, উদ্যোগ নিলেন পুলিশ সুপার

অশোক বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা: ডায়মন্ডহারবার পুলিশ জেলার সাইবার ক্রাইমকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছেন
নতুন পুলিশ সুপার রাহুল গোস্বামী। জেলা পুলিশ সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। পুলিশ সুপার পরিকল্পনা হল, এখন থেকে
সাইবার ক্রাইমের কোনও ঘটনা বিশেষ করে টাকা গায়েবের মতো বিষয় সংশ্লিষ্ট থানাতে নথিভুক্ত করতে হবে।
সেইমতো প্রতিটি থানায় উপযুক্ত পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে। তা হলে দূর দূর থেকে জেলা পুলিশ কার্যালয়ে আসার
দরকার হবে না। তাতে অভিযোগকারীদের হয়রান হতে হবে না। কয়েকদিন আগে ডায়মন্ডহারবার পুলিশ জেলার সমস্ত
থানার আইসি এবং ওসি, সাইবার ক্রাইম সহ শীর্ষ আধিকারিকদের নিয়ে তিন ঘণ্টার উপর বৈঠক করেছেন সুপার।

সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ হবে সংশ্লিষ্ট থানাতে, উদ্যোগ নিলেন পুলিশ সুপার

সেখানে সাইবার ক্রাইম নিয়ে ভুক্তভোগীদের কীভাবে আরও ভালো করে পরিষেবা দেওয়া যায়, সে ব্যাপারে পরামর্শ ও
নির্দেশ দিয়েছেন সুপার রাহুল গোস্বামী। এখন প্রতিদিনই সাইবার ক্রাইমের ঘটনা বাড়ছে। প্রতিমাসে কয়েকশো
অভিযোগ এসে জমা হচ্ছে জেলা সাইবার ক্রাইম অফিসে। এর ভিতর অধিকাংশ ব্যাঙ্ক থেকে টাকা গায়েবের ঘটনাই
বেশি। মোবাইলে কোনও একটি লোভনীয় টোপ এর লিঙ্ক এ সংযোগ করার পর দেখা যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যাঙ্ক
অ্যাকাউন্ট থেকে পুরো টাকা গায়েব হয়ে গিয়েছে। এক্ষেত্রে কারও ৫০ হাজার কারও এক লাখ কারও তার বেশি।
এতদিন জেলা পুলিশ থেকে একটি নিয়ম করে দেওয়া হয়েছিল যে, ১ লাখ টাকার নীচে কারও টাকা গায়েব হলে তা
সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ করতে হবে

সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ হবে সংশ্লিষ্ট থানাতে, উদ্যোগ নিলেন পুলিশ সুপার

তার উপরে হলে জেলা সদর কার্যালয়ে পাঠাতে হবে। থানা থেকে অধিকাংশ সময়
খুব কৌশলে এই দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। প্রতারিত ব্যক্তিকে বলা হচ্ছে, তার ১ লাখ টাকার উপর গায়েব হয়েছে।
এরপর তাকে পাঠানো হচ্ছে জেলা পুলিশ অফিসে। তাতে জেলা সাইবার বিভাগকে চাপের ভিতর পড়তে হচ্ছে। এমনিতে
পৈলানের জেলা সাইবার অফিসে সব মিলিয়ে দু’জন দক্ষ স্টাফ। হাতে গোনা এই স্বল্প লোক নিয়ে জেলার সব থানার
সাইবার সংক্রান্ত অভিযোগ নিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচেছ। শুধু তাই নয়, তার নিস্পত্তি করতেও সময় লেগে যাচ্ছে।
কারণ, এর একটি ঘটনার উপর দীর্ঘ সময় ধরে নজরদারি করতে হয়।

সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ হবে সংশ্লিষ্ট থানাতে, উদ্যোগ নিলেন পুলিশ সুপার

নানাদিকে যোগাযোগ রাখতে হয়। যা দু’জনকে
নিয়ে সামাল দেওয়া একপ্রকার অসম্ভব। ক্রাইম কনফারেন্স এ পুরো বিষয়টি শোনার পর পুলিশ সুপার সিদ্ধান্ত
নিয়েছেন, এখন থেকে প্রতিটি থানাতে দু’জন করে এই সাইবার অপরাধের বিষয়টি দেখবে। এজন্য থানাতে একটি আলাদা
কাউন্টার খোলা হবে। তাদের জেলা অফিসে এসে এ ব্যাপারে প্রশিক্ষণ নিয়ে যেতে হবে। ফলে পরবর্তী সময়ে যখন যে
থানা এলাকায় সাইবার ক্রাইমের ঘটনা ঘটবে। সেই থানাতে গিয়ে অভিযোগ জমা দিলে কাজ হয়ে যাবে। কোনও অসুবিধা
হলে তখন জেলা থেকে মনিটরিং করা হবে। তবে খুব বড় ঘটনা ঘটলে তখন জেলা হস্তক্ষেপ করবে।

Most Popular

error: Content is protected !!