Tuesday, April 16, 2024
spot_img
Homeকলকাতা'ট্রেন ভাড়া করেই দিল্লি চলো', বিরোধীদের একজোট হওয়ার বার্তা মমতার

‘ট্রেন ভাড়া করেই দিল্লি চলো’, বিরোধীদের একজোট হওয়ার বার্তা মমতার

স্টাফ রিপোর্টার : কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে টানা ৩০ ঘণ্টার ধরনা কর্মসূচির প্রথম দিনই কেন্দ্র বিরোধিতায় সুর চড়িয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির সামনেও ধরনায় বসার সাহস রাখেন তিনি। আর শেষদিন আন্দোলনের ধার আরও বাড়িয়ে ‘দিল্লি চলো’র ডাক দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন তিনি বলেন, ‘ধর্নার কারণে হয়তো দিল্লি মানবিক হবে! এমনকি ফোন করে সমস্ত বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার কথাও হয়তো কেন্দ্র বলবে বলে ভেবেছিলাম।কিন্তু কিছু কিছুই ঘটেনি!’

'ট্রেন ভাড়া করেই দিল্লি চলো', বিরোধীদের একজোট হওয়ার বার্তা মমতার

আর তা না হওয়াতে এবার বৃহত্তর আন্দোলনের হাঁটবেন বলে জানালেন প্রশাসনিক প্রধান। এজন্যে দিল্লিতে গিয়ে বসার কথাও বললেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ”আমি সব বিরোধী দলকে যেমন বলছি, তেমনই বুদ্ধিজীবী, ছাত্র, যুব সবাইকে বলছি – জোট বাঁধো। মানুষের উপর জুলুম না কমলে আবার ‘চলো দিল্লি চলো’ হবে। আমরা নেতাজি, গান্ধীজি, আম্বেদকরের ছবি হাতে নিয়ে আমরাও দিল্লি যেতে পারি। কী করে আটকাবেন? ট্রেন দেবেন না? নিজেরা ট্রেন ভাড়া করে যাব।” বিরোধীদের পাশে দাঁড়িয়ে মমতা বলেছেন, ‘বিরোধীরা সবাই দুর্নীতিগ্রস্থ। আর বিজেপি করলেই ওয়াশিংমেশিনে সমস্ত কালো ধুয়ে যাবে?বিরোধীরা জোট বাঁধছে।

'ট্রেন ভাড়া করেই দিল্লি চলো', বিরোধীদের একজোট হওয়ার বার্তা মমতার

আর তাই সবাইকে ওরা দুর্নীতিগ্রস্ত বলছে।আগামী দিনের লড়াই বিরোধী এবং জনতার জোটের বিরুদ্ধে বিজেপিকে লড়তে হবে। বিজেপি সংবিধানকে নষ্ট করে দিয়েছে। এমনকি এজেন্সির ভরসাতেই তাঁরা চলছে।’ কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে তিনি বলেন, ‘১০০ দিনের কাজে একাধিকবার প্রথম হয়েছে বাংলা, অথচ ৭ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়নি।ভেবেছিলাম কেন্দ্রীয় সরকার ভদ্রতার সঙ্গে যোগাযোগ করবে। বলবে তোমাদের প্রাপ্য টাকা দেব। বাংলাকে বঞ্চিত করার জন্য, ফেডারেল স্ট্রাকচারকে ধ্বংস করা হয়েছে।

'ট্রেন ভাড়া করেই দিল্লি চলো', বিরোধীদের একজোট হওয়ার বার্তা মমতার

দেশের সব কিছু বিক্রি করার জন্য, দেশটা পুরো বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। মাত্র ৩-৪ জনকে সুবিধা করে দেওয়া হচ্ছে। মানুষ লাইফ ইনসিওরেন্স পাবে না৷ বিরোধী দলকে কলঙ্কিত করছে।সাংবাদিকদের খবর করতে দেওয়া হচ্ছে না৷ গণতন্ত্রের চারটি স্তম্ভ। মিডিয়া সত্য কাহিনি তুলে ধরবে। ফেডারেল স্ট্রাকচার ভেঙে দেওয়া হয়েছে। বাংলায় ১৬০ কেন্দ্রীয় দল পাঠিয়েছে৷ বাংলায় টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। জিএসটিতে টাকা কাটছে। জিএসটি ট্যাক্স নিয়ে গিয়ে আমাদের যা প্রাপ্য তা সব কেন্দ্র নিয়ে যাচ্ছে। আমরা প্রাপ্য পাচ্ছি না।’

'ট্রেন ভাড়া করেই দিল্লি চলো', বিরোধীদের একজোট হওয়ার বার্তা মমতার

মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বার দেখা করে এসেছি। সৌজন্য দেখিয়ে দেখা করেছি। যাতে আমাকে ঝগড়ুটে না বলতে পারে৷ আমরা আন্দোলন করেছি, ধরনা করেছি, মন্ত্রীদের চিঠি দিয়েছি। যা পেতাম, তাও বাদ। হরেকরকম্বা। নেই কাজ তো খই ভাজ। কোন অধিকারে বাংলার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়?’

Most Popular