Sunday, April 14, 2024
spot_img
Homeজেলাবড়সড় প্রতারণা চক্রের পর্দা ফাঁস করল কাকদ্বীপ থানা

বড়সড় প্রতারণা চক্রের পর্দা ফাঁস করল কাকদ্বীপ থানা

বিশ্ব সমাচার, কাকদ্বীপ: মাত্র ৪০ দিনের মাথায় বড়সড় প্রতারণা চক্রের পর্দা ফাঁস করল কাকদ্বীপ থানা। লোন পাইয়ে দেওয়ার নাম করে এক ব্যক্তির কাছ থেকে পাঁচ লক্ষেরও বেশি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে দুই মহিলা সহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কল সেন্টার চালিয়ে তারা এই প্রতারণার কারবার করত বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। ধৃতদের শনিবার কাকদ্বীপ আদালতে তোলা হলে, বিচারক ধৃতদের ৩ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

বড়সড় প্রতারণা চক্রের পর্দা ফাঁস করল কাকদ্বীপ থানা

জানা গিয়েছে, পলাশ জানা নামে এক ব্যক্তির কাছে কয়েক মাস আগে একটি ফোন আসে। তাঁর ঋণ লাগবে কি না, জানতে চাওয়া হয়। সম্মতি দিলে, ফোনের ওপার থেকে বলা হয়, ৩৭ লক্ষ টাকার ঋণ পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এরপর নানান নথিপত্র, তথ্য দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সময়ে ফোন করে প্রতারকরা। তারা লোনের বিভিন্ন প্রক্রিয়ার জন্য টাকা জমা দিতে বলে। বেশ কয়েক ধাপে পলাশ ৫ লক্ষ ২৩ হাজার টাকা তাদের পাঠায়।

বড়সড় প্রতারণা চক্রের পর্দা ফাঁস করল কাকদ্বীপ থানা

পরে তিনি বুঝতে পারেন, প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এরপরই পলাশ ১৬ ফেব্রুয়ারি কাকদ্বীপ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এই অভিযোগ পাওয়ার পরই, কাকদ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক শিবু ঘোষ একটি টিম তৈরি করেন। সেই টিমের দায়িত্বে ছিলেন পুলিশ অফিসার অজয় চন্দ। তিনি তদন্তে নেমে, যে ফোন নম্বরগুলি থেকে পলাশকে ফোন করে ঋণ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল, সেই ফোন গুলিকে ট্রাপিং করতে থাকেন এবং গোপনে বিভিন্ন সোর্সকে কাজে লাগান।

বড়সড় প্রতারণা চক্রের পর্দা ফাঁস করল কাকদ্বীপ থানা

এরপরই একটি সূত্র ধরে শেষমেশ শুক্রবার রাতে নাগেরবাজার এলাকা থেকে পুলিশ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতরা হল, শুভদীপ কুণ্ডু, তমাল চক্রবর্তী, কল্লোল আইচ, নাজিয়া ফিরদৌস এবং লিজা কুমারী দাস। তবে এই প্রতারণাচক্রের সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিস। প্রতারিতদের থেকে টাকা ফেরনো যায় কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Most Popular