Friday, April 19, 2024
spot_img
Homeজেলাকঠিন ব্যাধিতে আক্রান্ত কাকদ্বীপের ছাত্র, অর্থের অভাবে ধুঁকছে কৃষ্ণেন্দুর জীবন

কঠিন ব্যাধিতে আক্রান্ত কাকদ্বীপের ছাত্র, অর্থের অভাবে ধুঁকছে কৃষ্ণেন্দুর জীবন

রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, কাকদ্বীপ : বয়স যখন মাত্র ৩ বছর, ঠিক সেই সময় বাবাকে হারিয়েছিল কৃষ্ণেন্দু। এরপর মা ও ছেলের ঠাঁই হয়েছিল দিদার বাড়িতে। বর্তমানে দাদু নেই, মা, ছেলে ও দিদার ছোট্ট সংসার। দোচালা টালির ঘরে কোনরকমে দিন কাটছিল ৩ জনের। কিন্তু হঠাৎই যেন সব এলোমেলো হয়ে গেল। এখন কঠিন ব্যাধিতে আক্রান্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কাকদ্বীপ থানার বুধাখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিশালাক্ষীপুর গ্রামের স্কুল পাড়ার বাসিন্দা কৃষ্ণেন্দু প্রধান। তাঁর শরীরের ভেতরের বিভিন্ন জায়গায় হয়েছে টিউমার।

কঠিন ব্যাধিতে আক্রান্ত কাকদ্বীপের ছাত্র, অর্থের অভাবে ধুঁকছে কৃষ্ণেন্দুর জীবন

আর সেই কারণেই শরীর জুড়ে ঠিকঠাক হচ্ছে না রক্ত চলাচল। প্রায় অবশ গিয়েছে তাঁর হাত পা, সারাক্ষণই করছে মাথার যন্ত্রণা। এছাড়াও শারীরিক নানান সমস্যায় ভুগছে কৃষ্ণেন্দু।অথচ কিছুদিন আগে পর্যন্ত অভাবের সংসারেও ছিল হাসি। ছিল দু চোখে বড় হওয়ার স্বপ্ন। ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতো কৃষ্ণেন্দু, বড় হয়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দেবে, দেশের হয়ে কাজ করবে। আজ সেই স্বপ্ন যেন তাঁর আবছা হয়ে গিয়েছে।

কঠিন ব্যাধিতে আক্রান্ত কাকদ্বীপের ছাত্র, অর্থের অভাবে ধুঁকছে কৃষ্ণেন্দুর জীবন

কাকদ্বীপের সুন্দরবন মহাবিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র কৃষ্ণেন্দু আজ জীবনের সঙ্গে লড়াই করে চলেছে। প্রতিটি মুহূর্ত এখন যেন তাঁর কাছে আতঙ্ক হয়ে উঠেছে। আজ সে একটাই প্রশ্নের সম্মুখীন, “আমি পারবো তো”? কিন্তু এই প্রশ্নের উত্তর জানা নেই কারোর। অভাবের সংসারে কিভাবে হবে তাঁর চিকিৎসা, তা ভেবেই দিশাহারা হয়ে পড়েছেন তার মা শংকরী প্রধান।তাঁর দিদা গ্রামের পুকুর থেকে বিভিন্ন শাক তুলে নিয়ে গিয়ে বাজারে বিক্রি করেন।

কঠিন ব্যাধিতে আক্রান্ত কাকদ্বীপের ছাত্র, অর্থের অভাবে ধুঁকছে কৃষ্ণেন্দুর জীবন

আর মা দিনমজুরের কাজ করেন। প্রতিদিন এভাবেই লড়াই করে চলতো তাদের জীবন। মা ও দিদার একমাত্র আশা ও ভরসা ছিল কৃষ্ণেন্দু। আজ সেই আশাও যেন দপ দপ করে জ্বলছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন কঠিন রোগে আক্রান্ত কৃষ্ণেন্দু। এই রোগের চিকিৎসা কেবলমাত্র ব্যাঙ্গালোরে গিয়ে করা সম্ভব। “কিন্তু কিভাবে ব্যাঙ্গালোরে যাবেন!”

কঠিন ব্যাধিতে আক্রান্ত কাকদ্বীপের ছাত্র, অর্থের অভাবে ধুঁকছে কৃষ্ণেন্দুর জীবন

তা জানা নেই তাদের। “কোথায় পাবেন টাকা!” তাও জানেন না প্রধান পরিবার। কিন্তু কৃষ্ণেন্দুকে চিকিৎসা করাতে পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রতিবেশীরা।তবে তার চিকিৎসা করাতে ইতিমধ্যেই বহু টাকা ধার দেনা হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে প্রায় সর্বস্বান্ত হয়ে গিয়েছে প্রধান পরিবার।

কঠিন ব্যাধিতে আক্রান্ত কাকদ্বীপের ছাত্র, অর্থের অভাবে ধুঁকছে কৃষ্ণেন্দুর জীবন

এখন ঠিকমতো দুবেলা দুমুঠো খাবারই জোটে না, কিভাবে হবে কৃষ্ণেন্দু চিকিৎসা, তা নিয়েই চিন্তিত প্রধান পরিবার ও গ্রামবাসীরা।কৃষ্ণেন্দুর পরিবারের পাশে দাঁড়ান আপনিও, বাড়িয়ে দিন সহযোগিতার হাত, যোগাযোগ করুন এই নম্বরে – +919775566198.

Most Popular