Friday, April 19, 2024
spot_img
Homeজেলাগ্রামবাসীদের বিক্ষোভ মুখে রাজ্য বিধানসভার স্পিকার

গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ মুখে রাজ্য বিধানসভার স্পিকার

প্রদীপকুমার সিংহ, বারুইপুর: বুধবার বারুইপুরের পশ্চিম কেন্দ্রের বিধায়ক তথা রাজ্য বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার তাঁর নিজের এলাকার ধপধপি ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় জনসংযোগে গেলে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন। সাধারণ মানুষ তাঁকে বলেন, পঞ্চায়েত থেকে চোরেদের সরান। আবাস যোজনার তালিকা, পানীয় জল থেকে শুরু করে রাস্তা, নর্দমা নিয়ে তাঁরা ক্ষোভ জানান।

গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ মুখে রাজ্য বিধানসভার স্পিকার

এদিন বারুইপুরের ধপধপি ২ পঞ্চায়েত এলাকায় দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচির প্রচারে বেরিয়েছিলেন তিনি। বিমানবাবুকে কাছে পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামের লোকজন। তিনি সব সমস্যা শুনে তা সমাধান করার ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন বাসিন্দাদের। বিমানবাবু বলেন, অভিযোগ তো কিছু থাকবেই। সব প্রত্যাশা পূরণ করা যায় না। সমস্যার সমাধানও হবে।এদিনের কর্মসূচিতে অধ্যক্ষের সঙ্গে ছিলেন বারুইপুর পশ্চিম ব্লক তৃণমূল সভাপতি গৌতম দাস, জেলা পরিষদের উপাধ্যক্ষ জয়ন্ত ভদ্র, বারুইপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কানন দাস, পঞ্চায়েত প্রধান মহুয়া দাসমণ্ডল।

গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ মুখে রাজ্য বিধানসভার স্পিকার

এদিন তিনি প্রথমে ধপধপি দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে প্রণাম সেরে কর্মসূচিতে বেরোন। ধপধপি পূর্ব সাপুই পাড়া এলাকায় অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় যেতেই গ্রামের মহিলারা অভিযোগ জানিয়ে বলেন, বিধবাভাতা, বার্ধক্যভাতার জন্য ১০ বার পঞ্চায়েতে হেঁটেছি। কাজ হয়নি। রাস্তা খারাপ হলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এরপর মজলিসপুকুর এলাকায় গেলে বাসিন্দারা রাস্তায় কার্যত ঘিরে ধরে একের পর এক অভিযোগ জানাতে থাকেন।

গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ মুখে রাজ্য বিধানসভার স্পিকার

বাসিন্দাদের অভিযোগ, জব কার্ড সুপারভাইজারের ঘরে কেন? পঞ্চায়েত থেকে চোরদের সরান। প্রকৃত প্রাপকরা বাড়ি থেকে বঞ্চিত। গ্রামে পানীয় জলের সমস্যা খুব। জল আনতে দূরের গ্রামে যেতে হচ্ছে। নর্দমার ব্যবস্থা করা হয়নি। পরে সমস্যা নিয়ে পঞ্চায়েত অফিসে গিয়ে আধিকারিক, সদস্য, প্রধানকে নিয়ে মিটিং করেন অধ্যক্ষ। এক মহিলা বলেন, আমি লক্ষ্মীর ভান্ডারের জন্য তিন-চার বার আবেদন করেছি। আজ পর্যন্ত আমি তা পাইনি।

গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ মুখে রাজ্য বিধানসভার স্পিকার

এক মহিলা তাঁর নিজের প্লাস্টিকের ছাউনি দেওয়া ঘরে নিয়ে যান বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখানোর জন্য। তিনি বলেন, আমি আবাস যোজনায় ঘর পাচ্ছি না। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, মানুষের সমস্যা অনেক থাকে। কিছু সমস্যার সমাধান করা গিয়েছে। পানীয় জলের জন্য যে সমস্যার কথা এলাকার মানুষ বলেছেন, তা ২০২৪-এর মধ্যে মিলবে। প্রত্যেক মানুষের জন্য ৫৫ লিটার করে জল ঘরে পৌঁছে যাবে।

Most Popular