Friday, July 19, 2024
spot_img
spot_img
Homeজেলাডাক্তার হয়ে সমাজসেবা করতে চায় হটুগঞ্জ আল আমিন মিল্লি মিশনের ছাত্র আহমাদুল্লা

ডাক্তার হয়ে সমাজসেবা করতে চায় হটুগঞ্জ আল আমিন মিল্লি মিশনের ছাত্র আহমাদুল্লা

হেদায়তুল্লা পুরকাইত, ডায়মন্ড হারবার: দারিদ্রতার সঙ্গে লড়াই করে ৬৭৩ (৯৬.১৪%) নম্বর পেয়েছে হটুগঞ্জ আল আমিন মিল্লি মিশনের ছাত্র আহমাদুল্লা বৈদ্য। বাবা পেশায় খারিজী মাদ্রাসার শিক্ষক। হটুগঞ্জ আল আমিন মিল্লি মিশনের প্রধান শিক্ষক আব্দুল গাফফারের সহযোগিতায় লেখাপড়া করেছে। পড়াশোনা করতে পেরেছে। রেজাল্ট দেখে খুশির ঝিলিক দেখা গেল আহমাদুল্লা বৈদ্যর মুখে।

ডাক্তার হয়ে সমাজসেবা করতে চায় হটুগঞ্জ আল আমিন মিল্লি মিশনের ছাত্র আহমাদুল্লা

রেজাল্ট দেখে স্কুলের প্রধান আব্দুল গাফফারও খুশি। ভালো নম্বর পেয়ে স্কুলের মুখ উজ্জ্বল করায় আহমাদুল্লা সহ সকল সফল মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের মিষ্টি মুখ করান তিনি। খুশি স্কুলের সমস্ত শিক্ষক এবং সহপাঠীরা।স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল গাফফার জানান, এ বছর মোট ৪০ জন মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল আল আমিন মিল্লি মিশন থেকে। আহমাদুল্লা বৈদ্যসহ মোট ১০ জন ছাত্র ৯০ শতাংশর বেশি নম্বর পেয়েছে।

ডাক্তার হয়ে সমাজসেবা করতে চায় হটুগঞ্জ আল আমিন মিল্লি মিশনের ছাত্র আহমাদুল্লা

আহমাদুল্লার বাবার আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। সেজন্য তাকে স্কুলের হস্টেলে রেখে পড়াশোনা করার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল। আহমাদুল্লার রেজাল্টে খুশি স্কুলের সম্পাদক মাওলানা আব্দুল ওহাব স থেকে স্কুলের শিক্ষকরা তার আগামীদিনের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য প্রার্থনা করেন।

ডাক্তার হয়ে সমাজসেবা করতে চায় হটুগঞ্জ আল আমিন মিল্লি মিশনের ছাত্র আহমাদুল্লা

আহমাদুল্লা বলল, ভবিষ্যতে ডাক্তার হয়ে সমাজসেবক হতে চাই। আমার বাড়ি মগরাহাট বাঁকিপুর এলাকায়। বাবা পেশায় খারিজি মাদ্রাসার শিক্ষক। ছোট থেকে দরিদ্রতার সঙ্গে লড়াই করে আসছি। বাবার সামান্য আয়।

ডাক্তার হয়ে সমাজসেবা করতে চায় হটুগঞ্জ আল আমিন মিল্লি মিশনের ছাত্র আহমাদুল্লা

তবুও চেষ্টা করেছেন আমাদের পড়াশোনা শিখিয়ে মানুষের মতো মানুষ করার জন্য। স্কুলের প্রধান শিক্ষক সমস্ত দিক থেকে আর্থিক সহযোগিতা করতেন। আজ আমার ভালো রেজাল্ট করার পিছনে তাঁর অবদান অতুলনীয়।

Html code here! Replace this with any non empty raw html code and that's it.

Most Popular

error: Content is protected !!